শিরোনাম :
ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালের ৭৭ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা ক্ষতিগ্রস্ত ১৭ হাজার বিনিয়োগকারীকে ফান্ড থেকে টাকা ফেরত দিবে ডিএসই এটিসি শরিয়াহ ইউনিট ফান্ডের তিন বছরের কার্যক্রমে বিএসইসির তদন্ত বিএসআরএমের দুই কোম্পানিতে দুই ধরনের আর্থিক চাপ। ১০ ব্লু-চিপ কোম্পানি তালিকাভুক্তি করাবে ডিএসই স্ক্রিপ নিটিং ও টি+১ চালুসহ ডিএসই নানা উদ্যোগ এজিএম করার অনুমোদন পেল বেস্ট হোল্ডিংস: ফিরছে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে আইপিও ও ডাইরেক্ট লিস্টিং: নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তিতে বিএসইসির নির্দেশনা শীর্ষ ব্রোকারেজগুলোর সঙ্গে ডিএসই’র বৈঠকে যা হলো লাভেলোর শেয়ার কারসাজিতে,ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক জরিমান

তারিখ পরিবর্তন হতে পারে আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষার

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
  • ২১১ পড়া হয়েছে

বিডিশেয়ার ডেস্ক :

রমজান ও ঈদুল ফিতরের কারণে আগামী বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পূর্বঘোষিত সময়ের থেকে পেছাতে পারে প্রায় দুই মাস। শিক্ষামন্ত্রী ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও প্রস্তুতির ঘাটতিসহ নানা কারণে ওই সময়ে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে না বলে মনে করছেন শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা। ফলে পূর্বঘোষিত সময়ের দুই মাস পর আগামী ১৪ মার্চ থেকে পরীক্ষা শুরুর একটি সম্ভাব্য তারিখ প্রস্তাব করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

গতকাল বুধবার সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠকে জানানো হয় এসব তথ্য। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খোন্দকার মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান আগামীর সময়কে জানালেন, শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষিত ৭ জানুয়ারি এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেওয়া এবং ওই সময় সম্ভব না হলে কী করা হবে— এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বৈঠকে। ঘোষিত সময়ে পরীক্ষা নেওয়া না গেলে রমজান ও ঈদের পর নিতে হবে পরীক্ষা। সেক্ষেত্রে মার্চের মাঝামাঝি সময়ের আগে সম্ভব হবে না পরীক্ষা নেওয়া। তাই দুটি প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সেখানেই চূড়ান্ত হবে সিদ্ধান্ত।

সম্প্রতি সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের এক সভায় পরীক্ষা শুরুর তারিখ নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা, অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীদের একাংশের মতামত বিশ্লেষণ করা হয়। সেখানে গত ২৫ জুন শিক্ষামন্ত্রীর তারিখ পরিবর্তনের পক্ষে পাওয়া গেছে বেশি মত।

পরীক্ষা পেছানোর পক্ষে অন্যতম যুক্তি হিসেবে ফেব্রুয়ারিতে রমজান শুরু এবং মার্চের ৯ তারিখের দিকে ঈদুল ফিতর হওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রমজান ও ঈদের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মার্চের মাঝামাঝি পরীক্ষা শুরু করলে পরীক্ষার্থীরা সিলেবাস শেষ করার জন্য কিছুটা বেশি সময় পাবে। একই সঙ্গে রোজার ছুটি শেষে শিক্ষকরা স্বাভাবিক পরিবেশে পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি নিতে পারবেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগ থেকে আরও
© All rights reserved © 2026 BD Share24.com