শিরোনাম :
ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালের ৭৭ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা ক্ষতিগ্রস্ত ১৭ হাজার বিনিয়োগকারীকে ফান্ড থেকে টাকা ফেরত দিবে ডিএসই এটিসি শরিয়াহ ইউনিট ফান্ডের তিন বছরের কার্যক্রমে বিএসইসির তদন্ত বিএসআরএমের দুই কোম্পানিতে দুই ধরনের আর্থিক চাপ। ১০ ব্লু-চিপ কোম্পানি তালিকাভুক্তি করাবে ডিএসই স্ক্রিপ নিটিং ও টি+১ চালুসহ ডিএসই নানা উদ্যোগ এজিএম করার অনুমোদন পেল বেস্ট হোল্ডিংস: ফিরছে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে আইপিও ও ডাইরেক্ট লিস্টিং: নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তিতে বিএসইসির নির্দেশনা শীর্ষ ব্রোকারেজগুলোর সঙ্গে ডিএসই’র বৈঠকে যা হলো লাভেলোর শেয়ার কারসাজিতে,ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক জরিমান

বাজারে স্থায়ী স্থিতিশীলতায় নজরদারি জোরদারের দাবি

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪৫৭ পড়া হয়েছে

টানা দরপতনের পর অবশেষে উত্থানে ফিরেছে দেশের শেয়ারবাজার। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সপ্তাহের তৃতীয় কর্মদিবসে দেশের উভয় শেয়ারবাজারে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সবকটি সূচক বাড়ার পাশাপাশি টাকার অঙ্কে লেনদেনও বেড়েছে। একই সঙ্গে লেনদেনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে।

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, টানা পতনের পর মাত্র একদিন বাজার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় স্বস্তির কারণ নেই। সামনের দিনগুলোতে ধারাবাহিক উত্থানের মাধ্যমে হারানো সূচক পুনরুদ্ধার করতে পারলেই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাজারের প্রতি আস্থা তৈরি হবে। অন্যথায়, আজকের উত্থানের পর আবারও দরপতন হলে বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট আরও প্রকট হতে পারে।

তাদের মতে, সূচকের বর্তমান ঊর্ধ্বমুখী ধারা যাতে থেমে গিয়ে আবার পতনে রূপ না নেয়, সে জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি বাজারের নজরদারি বা মনিটরিং আরও জোরদার করা প্রয়োজন। কেউ পরিকল্পিতভাবে বা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বাজারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। তাহলেই পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

দিনের বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৯ দশমিক ২২ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৬৩৭ দশমিক ৩০ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস ৫ দশমিক ৯২ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৩০ দশমিক ৪১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএসই-৩০ সূচক ৮ দশমিক ৭৯ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১২২ দশমিক ০৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

মঙ্গলবার ডিএসইতে মোট ৩৮০টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ৩০০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৫০টির দর কমেছে এবং ৩৮টি প্রতিষ্ঠানের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

ডিএসইতে এদিন মোট প্রায় ৫৯৬ কোটি ৬২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের কর্মদিবসে লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৪৭৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা।

সে হিসাবে এক দিনের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ১১৯ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) মঙ্গলবার লেনদেন ও সূচক—দুটিই বেড়েছে।

দিনটিতে সিএসইতে শেয়ার ও ইউনিট মিলিয়ে মোট ৫১ কোটি ৭৩ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের কর্মদিবসে এখানে লেনদেন হয়েছিল ১৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকার। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

এদিন সিএসইতে মোট ১৬২টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ১০৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে, ৩৮টির দর কমেছে এবং ১৬টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ৬০ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ১৩০ দশমিক ৩৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এর আগের কর্মদিবসে সূচকটি ২১ দশমিক ৬৭ পয়েন্ট কমেছিল।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগ থেকে আরও
© All rights reserved © 2026 BD Share24.com