শিরোনাম :
ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালের ৭৭ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা ক্ষতিগ্রস্ত ১৭ হাজার বিনিয়োগকারীকে ফান্ড থেকে টাকা ফেরত দিবে ডিএসই এটিসি শরিয়াহ ইউনিট ফান্ডের তিন বছরের কার্যক্রমে বিএসইসির তদন্ত বিএসআরএমের দুই কোম্পানিতে দুই ধরনের আর্থিক চাপ। ১০ ব্লু-চিপ কোম্পানি তালিকাভুক্তি করাবে ডিএসই স্ক্রিপ নিটিং ও টি+১ চালুসহ ডিএসই নানা উদ্যোগ এজিএম করার অনুমোদন পেল বেস্ট হোল্ডিংস: ফিরছে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে আইপিও ও ডাইরেক্ট লিস্টিং: নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তিতে বিএসইসির নির্দেশনা শীর্ষ ব্রোকারেজগুলোর সঙ্গে ডিএসই’র বৈঠকে যা হলো লাভেলোর শেয়ার কারসাজিতে,ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক জরিমান

বন্ধ শিল্প খুলতে ৪১ হাজার কোটি টাকার তহবিল বাস্তবায়নে ১৭ ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩০৭ পড়া হয়েছে

দেশের উৎপাদনশীল খাত, শিল্প ও সেবা খাত, কৃষি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণে অর্থায়ন বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত ৪১ হাজার কোটি টাকার তহবিল বাস্তবায়নে ১৭টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এসব ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

সূত্রমতে, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রাখা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যাংক খাতে তারল্য ও ঋণপ্রবাহের মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীলের লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ব্যাংকগুলোর উদ্বৃত্ত তারল্য থেকে ৪১ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করা হয়েছে। এই অর্থ উৎপাদনশীল ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হবে। এর মাধ্যমে বন্ধ ও সংকটে থাকা শিল্প-সেবা প্রতিষ্ঠানকে আবার সচল করা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন বাড়ানো, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনা এবং উত্তরাঞ্চলের কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, এই তহবিলের অর্থ পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যবহার করা হবে। এর মধ্যে বন্ধ শিল্প ও সেবা খাতের সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন স্কিমের আওতায় ২০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ বা উৎপাদন ব্যাহত হওয়া সম্ভাবনাময় শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আবার চালু করতে এই অর্থ ব্যবহার করা হবে। সিএমএসএমই খাতের চলতি মূলধন পুনঃঅর্থায়ন তহবিলে ৫ হাজার কোটি টাকা রাখা হয়েছে। ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের চলতি মূলধনের চাহিদা মেটাতে এই অর্থ দেওয়া হবে। এ ছাড়া রপ্তানি বহুমুখীকরণ খাতে ৩ হাজার কোটি টাকা পুনঃঅর্থায়ন করা হবে। রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানো এবং নতুন পণ্য ও বাজার তৈরিতে এ অর্থ ব্যবহার করা হবে। কৃষি ও পল্লী খাতের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকা রাখা হয়েছে। খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি উৎপাদন বাড়ানো এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এই অর্থ পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের মাধ্যমে দেওয়া হবে।

অন্যদিকে দেশের উত্তরাঞ্চলে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের কৃষি ও সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক গত মে মাসে স্থবির অর্থনীতিতে গতি ফেরানো এবং বন্ধ শিল্পকারখানা চালুর লক্ষ্যে মোট ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল। এর মধ্যে ৪১ হাজার কোটি টাকা ব্যাংকগুলোর উদ্বৃত্ত তারল্য থেকে পুনঃঅর্থায়ন তহবিল হিসেবে গঠনের কথা বলা হয়। বাকি ১৯ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল থেকে বিভিন্ন বিশেষ কর্মসূচিতে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগ থেকে আরও
© All rights reserved © 2026 BD Share24.com